বাংলাদেশের আলোচিত ধর্মীয়, আধ্যাত্মিক ও মানবিক সংগঠন গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ২০২৫-২০২৬ সেশনের নতুন কমিটি অনুমোদন দিয়েছে গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় পরিষদ। ৩৯ সদস্য বিশিষ্ট গাউসিয়া কমিটি ঢাবি শাখার সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন ২০১৯-২০ সেশনের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী মুহাম্মদ আমিরুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন ২০২০-২১ সেশনের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মোঃ আছেম উল্লাহ ইয়াসির। উক্ত কমিটির নবনির্বাচিত সভাপতি মুহাম্মদ আমিরুল ইসলাম ০৪নং বাহারছড়া ইউনিয়নের ০৮নং ওয়ার্ড, পশ্চিম ইলশা গ্রামের ঝানু বলির বাড়ির নুরুল ইসলাম ও আছিয়া খাতুন দম্পতির সন্তান। সে পূর্বে পশ্চিম বাঁশখালী দারুল ইসলাহ দাখিল মাদ্রাসা থেকে এসএসসি (দাখিল) ও চট্টগ্রাম কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হয়ে প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগে ভর্তি হন। ইতিহাস বিভাগ থেকে ফাস্ট ক্লাস নিয়ে কৃতিত্বের সাথে বিএ অনার্স ডিগ্রি এবং এমএ মাস্টার্স (আন্তর্জাতিক ইতিহাস থেকে) ডিগ্রি অর্জন করে। একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি বেশকিছু সহশিক্ষা কার্যক্রমের সাথে যুক্ত ছিলেন মুহাম্মদ আমিরুল ইসলাম। এরই অংশ হিসেবে,(১) জিয়া হল ডিবেটিং ক্লাবের একজন ডিবেটর হিসেবে বেশ দক্ষতার পরিচয় দেন। জিয়া হল ডিবেটিং ক্লাব কর্তৃক আয়োজিত “বিতর্ক কর্মশালা ও বিতার্কিক অনুসন্ধান -২০২২ এ স্বোপার্জিত স্বাধীনতা টিমের টিম লিডার হিসেবে নেতৃত্ব দেন। ৬ রাউন্ডের অপরাজিত থেকে পুরো টিমসহ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেন। এবং সামগ্রিকভাবে Second Best Speaker of the Tournament নির্বাচিত হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করেন। (২) পাশাপাশি BNCC Naval Wing Dhaka University Contingent এর Cadet Corporal হিসেবেও কৃতিত্বের পরিচয় দেন।(৩) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত বাঁশখালীর শিক্ষার্থীদের সংগঠন Dhaka University Students Association Of Banshkhali (DUSAB) এর ৩টি সেশনে ভিন্ন ভিন্ন তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পদে বাঁশখালীর শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। (৪) এর পূর্বে সে গাউছিয়া কমিটি বাংলাদেশ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ২০২৪-২৫ সেশনের সহ-অর্থ সম্পাদক হিসেবে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। পড়াশোনা,সহশিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি পারিবারিক ব্যবসায়ও দেখভাল করার দায়িত্ব পালন করে সে।একজন সচেতন শিক্ষার্থী হিসেবে সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষগুলোকে তুলে আনার জন্য নানান সময়ে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করে থাকে। যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত আছে গরীব অথচ মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সহায়তা প্রদান, পরীক্ষার ফি মওকুফকরণ,আর্থিকভাবে অসচ্ছল পরিবারের মাঝে রমজান ও ঈদ উপলক্ষে উপহার সামগ্রী বিতরণসহ নানান ধর্মীয় ও সামাজিক কাজে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। এছাড়াও সমাজের নানান অসংগতি ও অন্যায়ের প্রতিবাদ করার মাধ্যমে এলাকায় সুখ্যাতি অর্জন করেছে। ঢাকায় অবস্থানকালে বাঁশখালী থেকে ঢাকায় আগত যেকোনো শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের বিপদাপদে সাড়া দিয়ে থাকেন। বাঁশখালীসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কিছু শিক্ষার্থীকে প্রশাসনিক সহায়তা ও প্রদান করেছেন।ভবিষ্যৎ জীবনে একজন শিক্ষা সংস্কারক ও সমাজসেবক হিসেবে নিজেকে নিয়োজিত রাখার আশা ব্যক্ত করেছেন বাঁশখালী এক্সপ্রেসের নিকট।