• ঢাকা, বাংলাদেশ সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:৪৬ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]
শিরোনামঃ
চট্টগ্রাম ১৬, বাঁশখালী হতে শেষ হাসি কার? নির্বাচন ও ডিজিটাল চ্যালেঞ্জ নিয়ে ইয়ুথ ভয়েস অব বাংলাদেশের রাউন্ড টেবিল আলোচনা প্রীতি ম্যাচে বোয়ালখালীকে হারিয়ে বাঁশখালী ক্রিকেট একাডেমির জয় বেপরোয়া এস আলম পরিবহন কেড়ে নিল তাহমিনার প্রাণ আনোয়ারায় দেশের প্রথম মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল স্থাপনের নীতিগত অনুমোদন প্রজাতন্ত্র দিবসে ভারতের জনগণকে জামায়াতের শুভেচ্ছা বাঁশখালী সর্ববৃহৎ (লংপিচ) ক্রিকেট টুর্নামেন্টের আয়োজন বাঁশখালীর কিংবদন্তি ব্যক্তিত্ব এমতাজুল হক চৌধুরীর স্মরণসভার প্রস্তুতিসভা অনুষ্ঠিত সংবর্ধিত শিক্ষক বাড়ি ফিরেই চিরবিদায় নিলেন খানখানাবাদে পুলিশের কাছ থেকে আওয়ামীলীগ নেতাকে ছিনিয়ে নিল জনতা

মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাঁশখালীর প্রবাল চৌধুরীর পিএইচডি অর্জন

রহিম সৈকত / ২২১ শেয়ার
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৫

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার চাম্বল ইউনিয়নের গৌরী মোহন চৌধুরী পাড়ার অনাথ বন্ধু চৌধুরীর একমাত্র পুত্র প্রবাল চৌধুরী সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রধানমন্ত্রী স্কলারশিপ ২০১৯-এর আওতায় পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তাঁর গবেষণার বিষয় ছিল এপিডেমিওলজি।

পশ্চিম চাম্বল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষাজীবন শুরু করেন প্রবাল চৌধুরী। ২০০৩ সালে বাঁশখালী ইউনাইটেড উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি, ২০০৫ সালে হাজী মোহাম্মদ মহসিন সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি, ২০১০ সালে চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড এনিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টর অব ভেটেরিনারি মেডিসিন (DVM) এবং ২০১৪ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএস (সার্জারি) ডিগ্রি অর্জন করেন।

২০১৪ সালে ৩৩তম বিসিএসে উত্তীর্ণ হয়ে লাইভস্টক ক্যাডারে ভেটেরিনারি সার্জন হিসেবে যোগ দেন এবং প্রায় পাঁচ বছর দায়িত্ব পালন করেন দুর্গম বাঘাইছড়ি উপজেলায়। কর্মদক্ষতা ও একাগ্রতার স্বীকৃতিস্বরূপ প্রধানমন্ত্রী ফেলোশিপ অর্জন করেন, যা তাঁকে মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি গবেষণার সুযোগ দেয়। গবেষণার ফলাফল ইতোমধ্যেই আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে এবং একাধিক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে উপস্থাপিত হয়েছে।

ব্যক্তিগত জীবনে প্রবাল চৌধুরীর স্ত্রী কণা অধিকারী চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড এনিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক এবং বর্তমানে পিএইচডি করছেন মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে। তাঁদের তিন বছরের পুত্র অরিঞ্জয় চৌধুরী তাঁদের অনুপ্রেরণা ও আনন্দের কেন্দ্রবিন্দু।

নিজের সাফল্য প্রসঙ্গে প্রবাল চৌধুরী বলেন,
আমি নিজেকে কখনও বড় অর্জনের মানুষ বলে ভাবিনি। আমি শুধু চেষ্টা করেছি নিজের কাজ সঠিকভাবে করতে, সুযোগ পেলে শিখতে, আর ভুল হলে তা থেকে শিক্ষা নিতে। যদি আমার যাত্রা কারও মনে সাহস জাগায়, তাতেই আমি গর্বিত। আমি সব সময় মনে করি, জীবনে শুধু বই নয়—ভালো বইয়ের সঙ্গী হওয়াটাই আসল সৌভাগ্য। ভালো বই মানুষকে যেমন জ্ঞান দেয়, তেমনি সঠিক পথে চলার সাহস ও প্রেরণাও দেয়। আমার জীবনের অনেক সিদ্ধান্ত ও ভাবনার উৎসও এসব ভালো বই। জীবন আমার কাছে প্রতিদিনের ছোট ছোট পদক্ষেপের মতো—যা মিলেই একদিন বড় পথ তৈরি করে। যদি আমার এই পথচলা আর ভালো বইয়ের শিক্ষা মিলিয়ে কাউকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করে, সেটাই হবে আমার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।

সুনাম কার না ভালো লাগে—আমিও ব্যতিক্রম নই। তবে আমার আসল তৃপ্তি থাকবে তখনই, যখন দেখব আমার সাফল্যে আমার পরিবার, শিক্ষক ও প্রিয় মানুষগুলোর মুখ উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরিতে আরো নিউজ
সিবি হসপিটাল কী? কেন? কিভাবে?