বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্রে জাল বসানোকে কেন্দ্র করে আনোয়ারা গহিরা এলাকার জেলেদের সাথে বাঁশখালী খানখানাবাদ এলাকার জেলেদের মধ্যে দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে এক ব্যক্তি নিহত ও ২১ জন আহত হয়েছেন।
সূত্র জানায়, মঙ্গলবার দুপুরে বাঁশখালী খানখানাবাদ এলাকার মোঃ এনাম ও আবুল বশরের মালিকানাধীন বড় মাওলানা ফিশিং বোটটি ২২ জন মাঝিমাল্লা নিয়ে সাগরে জাল ফেলতে যায়। গভীর সমুদ্রে জালের পার মারার সময় আনোয়ারা গহিরা এলাকার দুইটি বোট থেকে তাঁদেরকে হামলা ও মারধর করে। এসময় বোটটি সাগরে ডুবে গেলে খানখানাবাদ ২ নং ওয়ার্ড দোয়ালিয়া পাড়া এলাকার শামশুল আলম পুত্র মোঃ নাছির (৩০) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়।
বোটে থাকা সাদুর রশীদ বলেন, আমরা ২২ জন বোট নিয়ে সাগরে জাল ফেলতে যাই। এ সময় আনোয়ারা গহিরা এলাকার দুইটি বোট এসে আমাদের কে মারধর করলে আমাদের বোটটি সমুদ্রে ডুবে যায়। তিনি আরও বলেন, আমরা প্রায় ১ ঘন্টা আমরা সাগরে ভাসমান ছিলাম। অন্য একটি বোট এসে আমাদের কে উদ্ধার করে সাগর পাড়ে নিয়ে এলেও নাছির নামে এক জেলে নিঁখোজ রয়েছেন।
নিহত নাছিরের স্ত্রীর বড় ভাই মোঃ এনাম জানান, মঙ্গলবার দুপুরে বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্রে ২২ জন মাঝিমাল্লা নিয়ে জাল বসাতে যায় বড় মাওলানা ফিশিং বোটটি। এ সময় জালের পার মারার সময় আনোয়ারা গহিরা এলাকার ২ টি বোট তাদের হামলা করে। এসময় সাগরে ফিশিং বোটটি ডুবে গেলে অন্য মাছ ধরার বোট এসে তাদেরকে উদ্ধার করে। এসময় নাছির সাগরে ডুবে যায়।
তিনি আরও বলেন, নিহত নাছির ১২ বছর আগে সে বিয়ে করে কদমরসুল কুইন্নার পাড়া এলাকার মো: মুহিবুল্লার মেয়ে রানু আক্তার কে বিয়ে করে। সে ১ ছেলে ও ১ মেয়ে কন্যা সন্তানের জনক।
এ ব্যাপারে খানখানাবাদ ইউপি চেয়ারম্যান মো. বদরুদ্দীন চৌধুরী বলেন, আমার ইউনিয়নের কদমরসুল এলাকা থেকে ২২ জন মাঝিমাল্লা নিয়ে দুপুরে বঙ্গোপসাগর জাল বসাতে যায়। এ সময় আনোয়ারা গহিরা এলাকার ২টি বোট তাদেরকে হামলা করে। এতে নাছির নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়।