• ঢাকা, বাংলাদেশ রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:৪৭ অপরাহ্ন
  • [কনভাটার]
শিরোনামঃ
কে হচ্ছেন বাঁশখালীর জনপ্রতিনিধি? চট্টগ্রাম ১৬, বাঁশখালী হতে শেষ হাসি কার? নির্বাচন ও ডিজিটাল চ্যালেঞ্জ নিয়ে ইয়ুথ ভয়েস অব বাংলাদেশের রাউন্ড টেবিল আলোচনা প্রীতি ম্যাচে বোয়ালখালীকে হারিয়ে বাঁশখালী ক্রিকেট একাডেমির জয় বেপরোয়া এস আলম পরিবহন কেড়ে নিল তাহমিনার প্রাণ আনোয়ারায় দেশের প্রথম মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল স্থাপনের নীতিগত অনুমোদন প্রজাতন্ত্র দিবসে ভারতের জনগণকে জামায়াতের শুভেচ্ছা বাঁশখালী সর্ববৃহৎ (লংপিচ) ক্রিকেট টুর্নামেন্টের আয়োজন বাঁশখালীর কিংবদন্তি ব্যক্তিত্ব এমতাজুল হক চৌধুরীর স্মরণসভার প্রস্তুতিসভা অনুষ্ঠিত সংবর্ধিত শিক্ষক বাড়ি ফিরেই চিরবিদায় নিলেন

ছেলের ফল জালিয়াতির অভিযোগে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের সাবেক সচিব কারাগারে

রিপোর্টার নাম: / ৯৪ শেয়ার
আপডেট: মঙ্গলবার, ১৭ জুন, ২০২৫

ছেলের পরীক্ষার ফল জালিয়াতির মামলায় চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের সাবেক সচিব অধ্যাপক নারায়ণ চন্দ্র নাথকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৭ জুন), চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম মো. আবু বকর সিদ্দিক জামিন আবেদন খারিজ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এর আগে হাইকোর্ট থেকে নেওয়া চার সপ্তাহের আগাম জামিনের মেয়াদ শেষে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেছিলেন তিনি।

চট্টগ্রাম আদালত পুলিশের পরিদর্শক শাহিনুর আলম বলেন, “পাঁচলাইশ থানায় দায়ের হওয়া জালিয়াতির মামলায় আগাম জামিনের মেয়াদ শেষে অধ্যাপক নারায়ণ চন্দ্র নাথ জামিন চেয়ে আদালতে আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক তা নামঞ্জুর করেন।”

২০২৩ সালে চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন নারায়ণ চন্দ্র নাথের ছেলে নক্ষত্র দেব নাথ। ফল প্রকাশের পর দেখা যায়, তিনি জিপিএ-৫ পেয়েছেন— যা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে বিভিন্ন মহলে। তখনই নারায়ণ চন্দ্র নাথ চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক পদে কর্মরত ছিলেন।

অভিযোগ উঠে, পিতার প্রভাব খাটিয়ে ছেলেকে জিপিএ-৫ পাইয়ে দেওয়া হয়। বিষয়টি নিয়ে জনমনে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হলে তদন্ত শুরু হয়। বাংলাদেশ মুক্তি সংগ্রাম ও মুক্তিযোদ্ধা গবেষণা কেন্দ্র ট্রাস্ট চট্টগ্রামের চেয়ারম্যান ডা. মাহফুজুর রহমানের অভিযোগের ভিত্তিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় তদন্তের নির্দেশ দেয়।

তদন্ত স্থগিত চেয়ে নারায়ণ চন্দ্র নাথ হাইকোর্টে রিট করলে আদালত আট সপ্তাহের স্থিতাবস্থা দেন। তবে মাউশি ও বোর্ডের আপিলের প্রেক্ষিতে রিটের আদেশ বাতিল হয়। পরবর্তী তদন্তে ফল জালিয়াতির প্রমাণ মেলায় ২০২৩ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয় চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডকে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেয়। একই বছরের ২৪ অক্টোবর বোর্ডের শৃঙ্খলা কমিটির বৈঠকে নক্ষত্রের ফলাফল বাতিল করা হয়।

এ ঘটনায় ২০২৫ সালের ২১ জানুয়ারি চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের সচিব অধ্যাপক ড. একেএম সামছু উদ্দিন আজাদ বাদী হয়ে নারায়ণ চন্দ্র নাথ, তাঁর ছেলে নক্ষত্র, বোর্ডের প্রাক্তন চেয়ারম্যান অধ্যাপক মুস্তফা কামরুল আখতার এবং প্রাক্তন সিনিয়র সিস্টেম অ্যানালিস্ট কিবরিয়া মাসুদ খানের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

মামলায় তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪২০, ৪৬৫, ৪৬৬, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ও ৩৪ ধারা এবং পাবলিক পরীক্ষা (অপরাধ) আইন, ১৯৮০-এর ৫, ৬, ১২ ও ১৩ ধারায় অভিযোগ আনা হয়।

এর আগে, একই মামলায় ১৫ মার্চ চট্টগ্রাম বোর্ডের প্রাক্তন সিনিয়র সিস্টেম অ্যানালিস্ট কিবরিয়া মাসুদ খানকেও জামিন না দিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই ক্যাটেগরিতে আরো নিউজ
সিবি হসপিটাল কী? কেন? কিভাবে?