• ঢাকা, বাংলাদেশ শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:০৫ অপরাহ্ন
  • [কনভাটার]
শিরোনামঃ
বাঁশখালী সর্ববৃহৎ (লংপিচ) ক্রিকেট টুর্নামেন্টের আয়োজন বাঁশখালীর কিংবদন্তি ব্যক্তিত্ব এমতাজুল হক চৌধুরীর স্মরণসভার প্রস্তুতিসভা অনুষ্ঠিত সংবর্ধিত শিক্ষক বাড়ি ফিরেই চিরবিদায় নিলেন খানখানাবাদে পুলিশের কাছ থেকে আওয়ামীলীগ নেতাকে ছিনিয়ে নিল জনতা চবি ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে বাঁশখালীর শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি বাস সার্ভিস আগামী প্রজন্মকে মেধা মননে শ্রেষ্ঠ করে তুলতে হবে -কামরুল ইসলাম হোসাইনী এমটি ফাউন্ডেশনের পূর্ণাঙ্গ উপদেষ্টা পরিষদ ও কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত মনোনয়নপত্রে টিপসই দিলেন খালেদা জিয়া, তিনটি আসনে লড়ার প্রস্তুতি চট্টগ্রাম-১১ আসনে জিওপির মনোনয়ন পেলেন বাঁশখালীর সন্তান ইঞ্জিনিয়ার নেজাম উদ্দীন এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন মীর আরশাদুল হক, নির্বাচনেও না থাকার ঘোষণা

১৪০০ বছর পূর্বের হারানো মসজিদ

রিপোর্টার নাম: / ১৭১ শেয়ার
আপডেট: শুক্রবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৪

বাংলাদেশে ইসলাম ধর্মের আগমনের প্রাথমিক সাক্ষী হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে ঐতিহাসিক ‘হারানো মসজিদ’। প্রায় ১৪০০ বছর আগে, ৬৯ হিজরিতে এই মসজিদটি নির্মিত হয়েছিল। লালমনিরহাট সদর উপজেলার পঞ্চগ্রাম ইউনিয়নের রামদাস মৌজায়, রংপুর-কুড়িগ্রাম মহাসড়ক থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দক্ষিণে এর অবস্থান।

মসজিদের ধ্বংসাবশেষে পাওয়া একটি ইট থেকে এর ইতিহাস জানা যায়। সেই ইটটিতে আরবিতে স্পষ্ট লেখা ছিল কালেমা তাইয়্যেবা ও হিজরি ৬৯ সন। স্থানীয়রা ধারণা করেন, এটি মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর মৃত্যুর ৫৮ বছর পরে নির্মিত হয়েছিল।

মসজিদটির আবিষ্কার ঘটে ১৯৮৫ সালে। জমি সমান করার সময় স্থানীয় লোকেরা পুরনো অনেক ইট খুঁজে পান, যা প্রাচীন কারুকাজে সজ্জিত ছিল। সবাই ধারণা করেছিলেন এটি হয়তো পুরনো জমিদার বাড়ির ধ্বংসাবশেষ। তবে ১৯৮৬ সালের ১০ মহররমে, গ্রামবাসী আইয়ুব আলী একটি ইট কুড়িয়ে তাতে আরবি লিপি দেখতে পান, যেখানে লেখা ছিল “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রসুলুল্লাহ” এবং হিজরি সন ৬৯।

স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে রেখে দেয়া হয়েছে সেই ভিত্তির ইটসমুহ

এরপর খনন শুরু হলে, ২১ ফুট দৈর্ঘ্য ও ১০ ফুট প্রস্থের একটি মসজিদের ভিত্তি স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান হয়। দেয়ালের পুরুত্ব ছিল ৪ ফুট ৬ ইঞ্চি, আর এর একটি দরজা ও চার কোণে আট কোণবিশিষ্ট স্তম্ভ ছিল। আরও কারুকার্যময় ইট এবং গম্বুজের অংশও আবিষ্কৃত হয়।

ব্রিটিশ প্রত্নতাত্ত্বিক টিম স্টিলের মতে, প্রাচীনকালে ব্রহ্মপুত্র-তিস্তা অববাহিকাকে আরব ও রোমান বণিকরা বাণিজ্য পথ হিসেবে ব্যবহার করতেন। ধারণা করা হয়, সাহাবি আবু ওয়াক্কাস (রা.) এই মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন। বিভিন্ন রোমান ও জার্মান ইতিহাসবিদদের বর্ণনায়ও এই অঞ্চলের বাণিজ্য পথের কথা উল্লেখ রয়েছে।

৬৯ হিজরির ‘হারানো মসজিদ’র উদ্ধারকৃত ইট

১৯৮৫ সালে মসজিদটি আবিষ্কারের পর নতুন করে আরেকটি মসজিদ নির্মাণ করা হয়, যেখানে প্রাচীন মসজিদের ভিত্তি অংশটি সুরক্ষিত রাখা হয়েছে। প্রতিদিন দেশ-বিদেশ থেকে বহু দর্শনার্থী এই মসজিদটি দেখতে আসেন।

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরিতে আরো নিউজ
সিবি হসপিটাল কী? কেন? কিভাবে?