• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:৪৫ অপরাহ্ন
  • [কনভাটার]
শিরোনামঃ
বাঁশখালী সর্ববৃহৎ (লংপিচ) ক্রিকেট টুর্নামেন্টের আয়োজন বাঁশখালীর কিংবদন্তি ব্যক্তিত্ব এমতাজুল হক চৌধুরীর স্মরণসভার প্রস্তুতিসভা অনুষ্ঠিত সংবর্ধিত শিক্ষক বাড়ি ফিরেই চিরবিদায় নিলেন খানখানাবাদে পুলিশের কাছ থেকে আওয়ামীলীগ নেতাকে ছিনিয়ে নিল জনতা চবি ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে বাঁশখালীর শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি বাস সার্ভিস আগামী প্রজন্মকে মেধা মননে শ্রেষ্ঠ করে তুলতে হবে -কামরুল ইসলাম হোসাইনী এমটি ফাউন্ডেশনের পূর্ণাঙ্গ উপদেষ্টা পরিষদ ও কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত মনোনয়নপত্রে টিপসই দিলেন খালেদা জিয়া, তিনটি আসনে লড়ার প্রস্তুতি চট্টগ্রাম-১১ আসনে জিওপির মনোনয়ন পেলেন বাঁশখালীর সন্তান ইঞ্জিনিয়ার নেজাম উদ্দীন এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন মীর আরশাদুল হক, নির্বাচনেও না থাকার ঘোষণা

২০ বাংলাদেশি জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি

রিপোর্টার নাম: / ৫০ শেয়ার
আপডেট: বুধবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৪

কক্সবাজারের টেকনাফের নাফ নদে মাছ ধরতে যাওয়া ১৫টি নৌকাসহ ২০ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছেন মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির (এএ) সদস্যরা।

আজ মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে নাফ নদ ও বঙ্গোপসাগরের মোহনা নাইক্ষ্যংদিয়ার কাছাকাছি বৈদ্যপাড়াসংলগ্ন এলাকা থেকে এই ২০ জেলেকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সাবরাং ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আবদুস সালাম।

আবদুস সালাম বলেন, আরাকান আর্মির সদস্যরা বড় ট্রলারযোগে এসে অস্ত্রের মুখে জেলেদের নিয়ে যান। জেলেদের সবার বাড়ি টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীর দ্বীপের জালিয়াপাড়া ও ক্যাম্পপাড়ায় বলে জানা গেছে। তবে তিনি সবার নাম-ঠিকানা জানাতে পারেননি।

শাহপরীর দ্বীপ জালিয়াপাড়া ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী সমিতির সভাপতি আবদুল গণি বলেন, এর আগে গত ৮ অক্টোবর নাফ নদ থেকে নৌকাসহ বাংলাদেশি পাঁচ জেলেকে ধরে নিয়ে গিয়েছিল। পরে বিজিবির (বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) তৎপরতায় নৌকাসহ তাঁদের ফেরত দেয় আরকান আর্মি।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আদনান চৌধুরী বলেন, ঘটনাটি স্থানীয় ইউপি সদস্যসহ লোকজন জানিয়েছেন। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অবহিত করা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে টেকনাফ-২ বিজিবি অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, স্থানীয় লোকজন ও জেলেদের পরিবারের মাধ্যমে তিনি বিষয়টি জেনেছেন। এ বিষয়ে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে।

ওপারে দিনভর বিস্ফোরণের শব্দ

মিয়ানমারে চলমান গৃহযুদ্ধ আবারও তীব্রতর হয়ে উঠেছে। একের পর এক বিস্ফোরণের বিকট শব্দ শোনা যাচ্ছে সীমান্তের এপারে। গতকাল সোমবার রাত থেকে আজ মঙ্গলবার বেলা সাড়ে তিনটা পর্যন্ত বিকট শব্দ অব্যাহত ছিল।

টেকনাফ পৌরসভার জালিয়াপাড়ার বাসিন্দা মোহাম্মদ ইয়াসিন বলেন, ‘সোমবার রাত থেকে গোলাগুলির ও মর্টার শেলের বিস্ফোরণের শব্দ বেড়েছে। দিনে কিছুটা কম হলেও রাতে বিকট শব্দ হয়। এতে রাতে আমাদের শিশুরা ভয় পাচ্ছে। জানি না কবে এই শব্দ থেকে মুক্তি পাব।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরিতে আরো নিউজ
সিবি হসপিটাল কী? কেন? কিভাবে?