শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বাঁশখালীতে দুর্যোগ মোকাবিলায় সচেতনতা বাড়াতে র‍্যালি, মহড়া ও আলোচনা সভা মির্জাখীল দরবারে ১৪ অক্টোবর শুরু হচ্ছে প্রথম ওরস শরীফ প্রবীণ সাংবাদিক সুলতান আহমেদ আশরাফী আর নেইবাঁশখালীর নৈতিক শিক্ষা ও মেধার স্বীকৃতিতে তারতিলুল কোরআন একাডেমীর বার্ষিক আয়োজন ডুসাবের নতুন সভাপতি তোহা, সাধারণ সম্পাদক মানিক বাঁশখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ২০০ পরিবারকে কারিতাসের ১২ লাখ টাকা সহায়তা বাঁশ: গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী সম্পদ একাধিকবার ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা পুত্রবধূ, শ্বশুরের যাবজ্জীবন AI-এর প্রভাবে ঝুঁকিতে ৪০ পেশা, তালিকায় সাংবাদিক-শিক্ষক থেকে ওয়েব ডেভেলপার দেশে ফিরেই বিমানবন্দরে গ্রেপ্তার সাবেক চেয়ারম্যান হারুন

ফাইটার দিদার ; শ্রবণ ও বাক শক্তি বঞ্চিত হয়েও এইচএসসিতে জিপিএ ৪.৭১

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ১৭ ভিউ

চেহেরা শারীরিক গঠন দেখে বুঝার উপায় নেই মায়া কাড়া ছেলেটি শ্রবণ ও বাক শক্তি বঞ্চিত। চার পাশের এত হইচই হচ্ছে সে জানেইনা কিংবা যা দেখছে যা অনুভব করছে বলতে পারেন না। এমন মানুষদের আমাদের সমাজ নাম দিয়েছে প্রতিবন্ধী। কিন্তু আমরা বলি ফাইটার বা যোদ্ধা। বিষয়টি পুরোপুরি বুঝার এক বছরের জন্য আমাদের কান পুরোপুরি বন্ধ করে দিতে পারি, জবান বন্ধ করে দিয়ে বেঁচে থাকার চেষ্টা করলেই আমরা বুঝতে পারব জীবনের মানে, তার সংগ্রামের চিত্র। তাই দিদার তার জীবন যুদ্ধে একজন যোদ্ধা।

দিদারুল আলম বাঁশখালী উপজেলার বাহারচরা ইউনিয়নের দক্ষিণ রত্নপুর গ্রামের মনির আহমদ ও মৃত মর্তুজা বেগম এর সন্তাব। চট্টগ্রাম মুরাদপুর ব্যাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী ইস্কুল থেকে ৭ম শ্রেণী পযন্ত পড়াশোনা চালিয়ে যায়। এরপর রত্নপুর এর কৃতি সন্তান হামিদুর রহমান (ওয়াহিদ) (তৎকালীন এসিলেন্ড, মানিকগঞ্জ সিঘাইর উপজেলায়) দিদারকে ঢাকা মিরপুর ১৪ সমাজ সেবা অধিদপ্তর পরিচালিত প্রতিবন্ধী স্কুলে অষ্টম শ্রেণীতে ভর্তি করিয়ে দিতে ভূমিকা রাখেন। সেখান থেকে সেই সাথে দিদারের স্বপ্ন একটু একটু এগিয়ে যেতে থাকে, সদ্য প্রকাশিত এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে দেখা যায় সে সাত বিষয়ে এ+ পেয়েছে। তার মধ্যে বিজনেস ম্যাথম্যাটিকস ও স্ট্যাটিসটিকস, ইংলিশ, বিজনেস ইংলিশ, প্রিন্সিপল এন্ড প্র‍্যাকটিকাল একাউন্টটিং, ডিজিটাল টেকনোলজি ইন বিজনেস, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রেইনিং, এইচআরএম বিষয় অন্যতম।

দিদারের ভাই মো. দেলোয়ার বলেন, আজ মা বেঁচে থাকলে অনেক বেশি খুশি। দিদারকে নিয়ে বেশি দুশ্চিন্তা ছিল মায়ের। অনেক খুশি হত। ভাইয়ের জন্য যেখানে যেখানে দৌঁড়ানো দরকার দৌঁড়েছি আমার ভাইও তা সাধ্যের সবটুকু দিয়েছে। দোয়া করবেন সে যেন বড় হয়ে এমন শারীরিক চ্যালেঞ্জিং মানুষের কল্যাণে কাজ করতে পারে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য সাহাব উদ্দীন বলেন, সে আমার এলাকার ছেলে। বুদ্ধি হওয়ার পর থেকে সে কথা বলতে পারেনা, কানেও শুনেনা এরপরেও সে এত ভাল রেজাল্ট করবে আমরা ভাবতে পারিনি।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো কিছু সংবাদ
© All rights reserved © 2026 Banshkhali Express
Customized By BlogTheme